ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে কো-পাইলটের হামলা
ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে কো-পাইলটের হামলার ঘটনায় উড়োজাহাজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করেছে বিমানটি

গত বুধবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ফ্লাইট এফজেড১০৭৩ হঠাৎ দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে।
পরে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। এ সময় বিমানে ছিলেন ১৭২ জন যাত্রী।
ফ্লাইটের পাইলট স্মিথ মছার বলেছেন, কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি তাকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেন, তিনি ভেবেছিলেন উড়োজাহাজের কোনো সমস্যা হয়েছে। কিন্তু এরপর একের পর এক আঘাত আসতে শুরু করে।
তখনই তিনি বুঝতে পারেন, সমস্যা উড়োজাহাজে নয়, সমস্যা ককপিটে তার সঙ্গে থাকা অন্য লোকটিকে নিয়ে।
পাইলট মছার বলেন, তিনি শুরুতে সহ-পাইলটকে আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মাথার পেছনে প্রচণ্ড আঘাতের কারণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।
ভারতীয় পাইলট জানান, ককপিটটি বাইরে থেকে কেবল কোড ব্যবহার করে খোলা যায়। তবে ভেতর থেকে খুব সহজেই খোলা সম্ভব।
পাইলট স্মিথ মছার আরও বলেন, ভেতর থেকে একটি ছোট ও দ্রুত মোড় দেওয়ার বিষয় ছিল। দরজার নবে হাত পৌঁছানোর পর তিনি তা মোড় দিয়ে খুলে ফেলেন।
তবে ওমানি সহ-পাইলট দ্রুত তা আবার বন্ধ করে দেন।
Key facts
- ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এ ১৭২ জন যাত্রী ছিলেন
- সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করেছে বিমানটি
- কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি পাইলট স্মিথ মছারকে আক্রমণ করেছিলেন
- ঘটনার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন পাইলট স্মিথ মছার
Three perspectives
Neutral
ঘটনার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানতে তদন্ত চলছে। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, একজন প্লাম্বার কীভাবে আকাশে থাকা বিমান সামলালেন?
Positive
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পাইলট স্মিথ মছারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
Negative
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, একজন কো-পাইলট কীভাবে ফ্লাইটে হামলা চালাতে পারেন?
Your week in news, every Wednesday
The biggest stories of the week for your edition, in your inbox every Wednesday morning, your time. Free, and you can unsubscribe at any time.